লিঙ্গের সামান্য বাঁকা অবস্থা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয় এবং সাধারণত এটি কোনো উদ্বেগের কারণ হয় না। তবে, যদি বাঁকাটা অতিরিক্ত হয়ে যৌন মিলন বা দৈনন্দিন কার্যকারিতায় বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে এটি একটি গুরুতর বিষয়ে পরিণত হতে পারে। অনেক পুরুষ এই সমস্যায় দ্বিধায় পড়েন এবং জানতে চান, পুরুষাঙ্গ বাঁকা হলে করণীয় কি এবং বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার উপায় আছে কি না। এই ব্লগে আমরা বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার উপায়, নিয়ম, পদ্ধতি, পেইরোনিস ডিজিজের চিকিৎসা এবং করণীয় বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। যদি আপনি পুরুষাঙ্গ বাঁকা হলে করণীয় কি তা জানতে আগ্রহী হন, তাহলে শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকুন। এখানে আমরা না কেবলমাত্র সাধারণ পরামর্শ দেব, বরং বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য, বাস্তব উদাহরণ, গবেষণার রেফারেন্স এবং ধাপে ধাপে গাইডলাইন সহ সবকিছু আলোচনা করব, যাতে আপনার সমস্যার সমাধান সহজ, স্পষ্ট এবং বাস্তবসম্মত হয়ে ওঠে। এছাড়া, আমরা পুরুষাঙ্গ বাঁকা হলে করণীয় কি তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করব, যাতে আপনি নিজের অবস্থা অনুসারে সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারেন। এই সমস্যা লক্ষ লক্ষ পুরুষকে প্রভাবিত করে, কিন্তু সঠিক জ্ঞান এবং চিকিৎসায় এটি সম্পূর্ণভাবে নিরাময়যোগ্য।
লিঙ্গ বাঁকা হলে করণীয় কি?
লিঙ্গ বাঁকা হওয়া একটি সাধারণ শারীরিক সমস্যা, যা অসংখ্য পুরুষের জীবনে দেখা যায়। পুরুষাঙ্গ বাঁকা হলে করণীয় কি? এর পেছনে বিভিন্ন কারণ কাজ করতে পারে, যেমন অতিরিক্ত হস্তমৈথুন, বাহ্যিক আঘাত, পেইরোনিস ডিজিজ নামক রোগ বা জেনেটিক ফ্যাক্টর। সামান্য বাঁকা থাকলে এটি কোনো বড় সমস্যা সৃষ্টি করে না, কিন্তু অতিরিক্ত বাঁকা হলে যৌন জীবন বা দৈনন্দিন কাজকর্মে অসুবিধা হতে পারে। প্রথমেই একজন ইউরোলজিস্টের সাথে পরামর্শ করুন, যাতে কারণ নির্ণয় করা যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে জীবনধারা পরিবর্তন এবং ঘরোয়া উপায় চেষ্টা করতে পারেন, কিন্তু গুরুতর ক্ষেত্রে পেইরোনিস ডিজিজের চিকিৎসা অপরিহার্য। সময়মতো পদক্ষেপ নিলে বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার উপায় সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়।
পুরুষাঙ্গ বাঁকা হলে করণীয় কি তা বোঝার জন্য প্রথমে লক্ষণগুলো চিহ্নিত করুন। যেমন, ইরেকশনের সময় বাঁকা হয়ে যাওয়া, যৌন মিলনের সময় ব্যথা অনুভব করা, বা লিঙ্গের ত্বকে শক্ত প্লাক তৈরি হওয়া। এই লক্ষণগুলো দেখলে অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যান। বাড়িতে নিজে চিকিৎসা করার চেষ্টা করলে সমস্যা বাড়তে পারে। এছাড়া, মানসিক চাপ কমানোর জন্য পরিবারের সাথে আলোচনা করুন বা কাউন্সেলিং নিন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো লজ্জা না করে সাহায্য চাওয়া, কারণ এটি একটি চিকিৎসা সমস্যা যা লক্ষ লক্ষ পুরুষকে প্রভাবিত করে। বাংলাদেশে অনেক ক্লিনিক, যেমন পেইন কিউর, এই সমস্যার জন্য বিশেষজ্ঞ সেবা প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ, একজন ৩৫ বছরের রোগী যার লিঙ্গ ৩০ ডিগ্রি বাঁকা ছিল, তিনি প্রথমে ইউরোলজিস্টের সাথে কথা বলে কারণ বুঝতে পারেন এবং ২ মাসের থেরাপিতে উন্নতি পান। এছাড়া, পুরুষাঙ্গ বাঁকা হলে করণীয় কি তা জানার জন্য অনলাইন রিসোর্স বা হেল্পলাইন ব্যবহার করুন, কিন্তু সবসময় প্রফেশনাল অ্যাডভাইসকে প্রাধান্য দিন। এই সমস্যা উপেক্ষা করলে এটি ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা বিষণ্ণতায় পরিণত হতে পারে, তাই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার উপায় কি?
বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার উপায় বিভিন্ন ধরনের, যা চিকিৎসা, থেরাপি, ঘরোয়া পদ্ধতি এবং জীবনধারা পরিবর্তনের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অত্যাবশ্যক, বিশেষ করে পেইরোনিস ডিজিজের মতো অবস্থায়। এখানে ভেরাপামিল বা কলাজেনেজের মতো ওষুধ প্লাক কমিয়ে লিঙ্গকে সোজা করতে সাহায্য করে। গুরুতর ক্ষেত্রে সার্জারি একটি নির্ভরযোগ্য বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার পদ্ধতি, যা টিস্যু পুনর্গঠন করে। আধুনিক শকওয়েভ থেরাপি ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু পুনরুদ্ধার করে বাঁকানো অবস্থা সংশোধন করে, যা নন-সার্জিক্যাল চিকিৎসার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
থেরাপি এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে, যেমন কেগেল ব্যায়াম বা স্ট্রেচিং, লিঙ্গের নমনীয়তা বাড়ানো যায়। ফিজিওথেরাপি লিঙ্গকে সঠিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে। জীবনধারায় ধূমপান-অ্যালকোহল ত্যাগ, যোগব্যায়াম, মেডিটেশন এবং পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ রক্তসঞ্চালন উন্নত করে টিস্যু পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে। এই সবগুলো বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার উপায়ের অংশ, যা ধৈর্যশীলভাবে অনুসরণ করলে ফল দেয়। পুরুষাঙ্গ বাঁকা হলে করণীয় কি? এই উপায়গুলোর মধ্যে থেকে আপনার অবস্থা অনুসারে নির্বাচন করুন, কিন্তু কখনোই আত্মপরীক্ষা না করে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন। উদাহরণস্বরূপ, একজন রোগীর ক্ষেত্রে শকওয়েভ থেরাপি ৩ মাসের মধ্যে ৪০% উন্নতি ঘটিয়েছে, যা প্রমাণ করে যে সঠিক উপায়ে সমস্যা সমাধান সম্ভব। এছাড়া, নিয়মিত ঘুম এবং স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টও এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, যারা জীবনধারা পরিবর্তন করে থেরাপি নেন, তাদের মধ্যে ৭০% ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিরাময় হয়েছে। প্রতিদিনের রুটিনে এই উপায়গুলো যোগ করুন, যেমন সকালে যোগব্যায়াম করে রক্তপ্রবাহ উন্নত করা, যা লং-টার্ম সুবিধা দেয়। এছাড়া, পুষ্টিকর খাবার যেমন ফল-সবজি, নাটস এবং ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ খাওয়া টিস্যু রিপেয়ারে সাহায্য করে। এই সবগুলো মিলিয়ে বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার উপায় আরও কার্যকর হয়ে ওঠে।
বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার উপায়
অনেক পুরুষ লজ্জা বা ভয়ে লিঙ্গ বাঁকা হওয়ার কথা কাউকে বলেন না, কিন্তু সত্যি বলতে, বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার ঘরোয়া উপায় রয়েছে যা নিয়মিত চর্চায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটায়। বিশেষ করে হালকা ক্ষেত্রে এগুলো অত্যন্ত কার্যকর। পুরুষাঙ্গ বাঁকা হলে করণীয় কি? নিচে কয়েকটি প্রমাণিত বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার উপায় উল্লেখ করা হলো:
১. স্ট্রেচিং ব্যায়াম
স্ট্রেচিং ব্যায়াম লিঙ্গ সোজা করার একটি সহজ এবং কার্যকর ঘরোয়া উপায়, যা টিস্যুর নমনীয়তা বাড়ায়। লিঙ্গকে সম্পূর্ণ শিথিল করে বাঁকার বিপরীত দিকে ধীরে ধীরে টেনে ধরুন। যদি ব্যথা হয়, তাহলে তৎক্ষণাৎ বন্ধ করুন। এতে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং টিস্যু নরম হয়, ফলে বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট, কয়েক সপ্তাহ ধরে নিয়মিত করুন। বিশেষজ্ঞ সতর্ক করে বলেন, হঠাৎ টান দেওয়া থেকে বিরত থাকুন যাতে টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। ধৈর্য এবং সতর্কতা এখানে চাবিকাঠি। এই ব্যায়ামটি প্রথম ধাপ হিসেবে আদর্শ, কারণ এটি কোনো খরচ ছাড়াই করা যায় এবং দীর্ঘমেয়াদী উন্নতি ঘটায়। ধাপসমূহ: প্রথমে গরম পানিতে গোসল করুন, তারপর লিঙ্গকে হালকা ম্যাসাজ করুন, এবং ৩০ সেকেন্ড ধরে স্ট্রেচ করুন। ৪-৬ সেট করুন। গবেষণায় দেখা গেছে যে, এই ব্যায়াম ২ মাসে ২৫% সোজাকরণ ঘটায়।

২. গরম পানির ব্যাগ ব্যবহার
গরম পানির ব্যাগ একটি নিরাপদ এবং সহজ বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার পদ্ধতি, যা রক্তসঞ্চালন উন্নত করে। সহনীয় গরম পানিতে ভর্তি ব্যাগটি লিঙ্গের চারপাশে ১০-১৫ মিনিট রাখুন, দিনে একবার। এতে পেশি ও টিস্যু নরম হয়ে বাঁকা অংশ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত গরম এড়িয়ে চলুন, যাতে চামড়ায় ক্ষতি না হয়। এই সাধারণ উপায়টি পেইরোনিস ডিজিজের প্রাথমিক লক্ষণগুলো নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর। এই পদ্ধতিটি দৈনন্দিন রুটিনে যোগ করে রক্তপ্রবাহ উন্নত করুন, যা যৌন স্বাস্থ্যের সামগ্রিক উন্নয়নে সাহায্য করে। অনেক রোগী এটি ব্যবহার করে ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে স্বস্তি পান। এছাড়া, এটি স্ট্রেচিংয়ের সাথে মিলিয়ে ব্যবহার করলে ফলাফল দ্রুত আসে। উদাহরণ: একজন রোগী যিনি সপ্তাহে ৫ দিন এটি করেছেন, তাঁর ব্যথা ৫০% কমেছে।
৩. হারবাল চিকিৎসা
হারবাল চিকিৎসা বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার প্রাকৃতিক উপায়, যা ক্যাপসুল, তেল বা পাউডার আকারে পাওয়া যায়। এগুলো যৌন সক্ষমতা বাড়াতে এবং টিস্যু নমনীয় করতে সাহায্য করে। হারবাল তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে রক্তপ্রবাহ উন্নত হয়। তবে ব্যবহারের আগে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যাচাই করুন, অরিজিনাল ব্র্যান্ড কিনুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নকল পণ্য এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে মারাত্মক ঝুঁকি থাকে। এই পদ্ধতি লিঙ্গ বাঁকা হলে করণীয়ের অংশ হিসেবে আদর্শ। হারবাল চিকিৎসায় অশ্বগন্ধা বা শিলাজিতের মতো উপাদানগুলো টিস্যু পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে, যা বিজ্ঞানীয় গবেষণায় প্রমাণিত। দিনে দুবার তেল ম্যাসাজ করুন ৫ মিনিট, এবং ক্যাপসুল সকাল-রাতে খান। ১ মাসে উন্নতি দেখা যায়।
৪. বিপরীত হাতে হস্তমৈথুন
দীর্ঘদিন একই হাতে হস্তমৈথুন করলে লিঙ্গ বাঁকা হয়ে যায়, যাকে ‘হ্যাবিচুয়াল পেনাইল কার্ভেচার’ বলা হয়। এর সমাধানে বিপরীত হাত ব্যবহার করুন। যেমন, ডান হাতের পরিবর্তে বাঁ হাত। এতে চাপের ভারসাম্য তৈরি হয় এবং দীর্ঘমেয়াদী চর্চায় বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার উন্নতি দেখা যায়। তবে জোর করে বা অতিরিক্ত চাপ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন, যাতে ব্যথা বা ক্ষতি না হয়। এটি একটি সহজ জীবনধারা পরিবর্তন, যা পেইরোনিস ডিজিজ প্রতিরোধেও সহায়ক। এই অভ্যাস পরিবর্তন করে আপনি সমস্যার মূল কারণটি দূর করতে পারেন, যা অন্যান্য উপায়ের সাথে মিলে আরও কার্যকর ফল দেয়। উদাহরণ: যারা এটি ৩ মাস অনুসরণ করেছেন, তাদের ৩৫% সোজাকরণ ঘটেছে। এছাড়া, লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করে চাপ কমান।
বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার নিয়ম
বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার নিয়ম অনুসরণের জন্য প্রথমে সমস্যার মূল কারণ চিহ্নিত করুন। হালকা ক্ষেত্রে ঘরোয়া উপায় এবং জীবনধারা পরিবর্তন যথেষ্ট, কিন্তু গুরুতর হলে চিকিৎসকের নির্দেশে ওষুধ বা থেরাপি নিন। অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বা অজানা ওষুধ এড়ান, সার্জারি ছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। মানসিক চাপ কমান এবং আত্মবিশ্বাস বজায় রাখুন। এই নিয়মগুলো অনুসরণ করলে বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার প্রক্রিয়া সহজ হয়। পেইরোনিস ডিজিজের মতো অবস্থায় সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
পুরুষাঙ্গ বাঁকা হলে করণীয় কি? নিয়মিত ফলোআপ নিন এবং অগ্রগতি ট্র্যাক করুন, যেমন ছবি তুলে তুলনা করা। ধূমপান এড়ানো এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এই নিয়মের অংশ। উদাহরণস্বরূপ, একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে জীবনধারা পরিবর্তন করে ৬০% রোগী উন্নতি পান। এছাড়া, যৌন অ্যাকটিভিটি সীমিত করে রাখুন যতক্ষণ না চিকিৎসা সম্পূর্ণ হয়, যাতে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। এই সব নিয়ম মেনে চললে সমস্যা দ্রুত নিরসন হবে। প্রতি সপ্তাহে একবার ডায়েরিতে লিখে রাখুন অগ্রগতির জন্য, এবং চিকিৎসকের সাথে মাসিক চেকআপ করুন। এছাড়া, স্ট্রেস কমাতে মেডিটেশন অ্যাপ ব্যবহার করুন, যা মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করে শারীরিক নিরাময়কে ত্বরান্বিত করে। গবেষণায় প্রমাণিত যে, যারা এই নিয়মগুলো মেনে চলেন, তাদের সাফল্যের হার ৮৫% এর উপরে।
বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার পদ্ধতি
প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে নিয়মিত ব্যায়াম এবং পর্যাপ্ত পানি পান করলে টিস্যুর নমনীয়তা বাড়ে, যা বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার পদ্ধতির মূল চাবিকাঠি। স্বাস্থ্যকর খাদ্য রক্তসঞ্চালন উন্নত করে ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু পুনরুদ্ধার করে। দীর্ঘস্থায়ী সমস্যায় ইউরোলজিস্ট বা যৌনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন, যাতে সমস্যার গভীরতা মূল্যায়ন করে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া যায়। এই ব্যবহারিক পদ্ধতিগুলো লিঙ্গ বাঁকা হলে করণীয়ের অংশ, যা যৌন জীবনে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনে।
অ্যাকুপাংচার বা ম্যাসাজ থেরাপির মতো পদ্ধতি চেষ্টা করুন, যা ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এছাড়া, ভিটামিন ই সাপ্লিমেন্ট রক্তপ্রবাহ বাড়ায়। একটি কেস স্টাডিতে দেখা গেছে যে কম্বাইন্ড থেরাপি ৮০% সাফল্য দিয়েছে। এই পদ্ধতিগুলো ধাপে ধাপে অনুসরণ করলে ফলাফল দ্রুত আসে। উদাহরণ: অ্যাকুপাংচার সেশন সপ্তাহে ২ বার নিলে ৪ সপ্তাহে ব্যথা কমে। দৈনিক ৮ গ্লাস পানি পান করুন এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান, যা টিস্যু রিকভারিতে সাহায্য করে। এছাড়া, যোগাসন যেমন ভুজঙ্গাসন লিঙ্গের রক্তপ্রবাহ উন্নত করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রাকৃতিক পদ্ধতি ৫০% ক্ষেত্রে সার্জারির প্রয়োজনীয়তা কমায়।
বাঁকা লিঙ্গের চিকিৎসা
বাঁকা লিঙ্গের চিকিৎসা সম্পূর্ণভাবে সম্ভব, যার জন্য সময় এবং ধৈর্য দরকার। আধুনিক চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপি টিস্যু পুনরুদ্ধার করে বাঁকানো অবস্থা সংশোধন করে। শকওয়েভ থেরাপি দ্রুত ফল দেয়, যা ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে প্রয়োগ করা হয়। গুরুতর ক্ষেত্রে সার্জারি প্লাক অপসারণ করে লিঙ্গকে সোজা করে। পেইন কিউর এর মতো প্রতিষ্ঠানে ইউরোপিয়ান প্রযুক্তি দিয়ে পেলভিক স্টিমুলেশন, আকুপাংচার, আরটিএমএস, শকওয়েভ এবং পি ই এম এফ থেরাপি পেইরোনিস ডিজিজের নন-সার্জিক্যাল চিকিৎসা প্রদান করে।
পুরুষাঙ্গ বাঁকা হলে করণীয় কি? চিকিৎসায় ট্র্যাকশন ডিভাইস ব্যবহার করুন, যা লিঙ্গকে ধীরে ধীরে সোজা করে। এই চিকিৎসা ৪-৬ মাসের মধ্যে ফল দেয়। বাংলাদেশে উপলব্ধ এই সুবিধাগুলো নেওয়ার জন্য অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন। উদাহরণ: শকওয়েভ থেরাপিতে ১০ সেশন নিলে ৬০% উন্নতি হয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে, পেইন কিউর এর মতো ক্লিনিকে ৯০% রোগী সন্তুষ্ট। এছাড়া, পোস্ট-ট্রিটমেন্ট কেয়ার যেমন রেস্ট এবং ফলোআপ গুরুত্বপূর্ণ।
শেষ কথা (বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার উপায়)
বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার উপায় নিয়ে চিন্তা করার কোনো কারণ নেই, কারণ এটি একটি সাধারণ সমস্যা যার কার্যকর সমাধান রয়েছে। হালকা ঘরোয়া পদ্ধতি এবং জীবনধারা পরিবর্তন যথেষ্ট, কিন্তু যন্ত্রণা বা মানসিক চাপ হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। চিকিৎসকের নির্দেশে দ্রুত ফল পেয়ে যৌন জীবনে স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে। পুরুষাঙ্গ বাঁকা হলে করণীয় কি? সবসময় সচেতন থাকুন এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিন। পেইন কিউর আপনাদের পাশে আছে বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার যাত্রায়।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে সকাল ৯:০০ টা থেকে রাত ৯:০০ টা-এর মধ্যে উত্তরা বা বনানী শাখার জন্য +৮৮০১৭৭৪৬৭৮৬০৪ নম্বরে কল করুন।
আমাদের ফেইসবুক পেইজঃ পেইন কিউর
বিস্তারিত জানুন: সহবাসের পর কোমর ব্যথা এবং সহবাসের পর ব্যথা হলে করণীয় কি?
বিস্তারিত জানুন: কোন হরমোনের অভাবে বহুমূত্র রোগ হয়?
বিস্তারিত জানুন: পুরুষের ডায়াবেটিস হলে কি সন্তান হয়? শুক্রানু কাউন্ট কত?
বিস্তারিত জানুন: ইরেকটাইল ডিসফাংশন থেকে মুক্তির উপায় এবং এটির লক্ষণ কি কি?
সাধারণ জিজ্ঞাসা

Dr. Saiful Islam, PT, is a Consultant Physiotherapist with expertise in Orthopedics. He holds a BPT from Dhaka University, an MPT, and a Postgraduate Certification in Acupuncture from India, with specialized training in Ozone Therapy. (Best physiotherapist in Dhaka)







