পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা ও এটি করার নিয়ম জানুন!

পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা ও এটি করার নিয়ম জানুন!

Table of Contents

পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা এবং পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই ব্যায়াম পেলভিক ফ্লোরের পেশীকে শক্তিশালী করে শরীরের ভেতরের নিয়ন্ত্রণক্ষমতা বাড়ায় এবং যৌন জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কেগেল ব্যায়াম করলে দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা কমে, ইরেকটাইল ডিসফাংশন উন্নত হয়, প্রস্টেটের স্বাস্থ্য ভালো থাকে, মূত্রনিয়ন্ত্রণ সহজ হয় এবং শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকে। এছাড়াও এটি আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও মানসিক প্রশান্তি আনে। মায়ো ক্লিনিক, হার্ভার্ড হেলথ এবং হেলথলাইনসহ বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে বলা হয়েছে, এই ব্যায়াম প্রস্টেট সার্জারির পর পুনরুদ্ধারেও কার্যকর ভূমিকা রাখে। পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা, পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম মেনে নিয়মিত চর্চা করলে শারীরিক ও মানসিকভাবে আপনি আরও শক্তিশালী, আত্মবিশ্বাসী ও সুস্থ জীবন উপভোগ করতে পারবেন।

পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা (একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি)

পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা (একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি)

কেগেল ব্যায়ামের নাম শুনলে অনেকেই ভাবেন এটি শুধুমাত্র নারীদের জন্য, কিন্তু পুরুষদের এটির উপকারিতা অসীম এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। এই ব্যায়ামটি পেলভিক ফ্লোরের পেশীগুলিকে মজবুত করে, যা মূত্রনিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে যৌন তৃপ্তি, প্রস্টেটের স্বাস্থ্য, মলত্যাগ নিয়ন্ত্রণ এবং সামগ্রিক শারীরিক স্থিতিশীলতা পর্যন্ত সবকিছুতে সাহায্য করে। কল্পনা করুন, আপনার শরীরের গভীরে লুকিয়ে থাকা একটি অদৃশ্য শক্তি, যা নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে জাগ্রত হয়ে আপনাকে আরও শক্তিশালী এবং আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। যেমন দ্রুত বীর্যপাত কমানো এবং ইরেকটাইল ডিসফাংশনের উন্নতি, তেমনি মূত্রাশয়ের কার্যকারিতা উন্নত করা, প্রস্রাবের পর ড্রিবলিং (অবশিষ্ট প্রস্রাব পড়া) রোধ করা এবং ওভারঅ্যাকটিভ ব্লাডারের লক্ষণগুলো কমানো। এছাড়া, প্রস্টেট সার্জারির পর ইনকনটিনেন্স (মূত্রাসংক্রমণ) কমানো এবং ফিকাল ইনকনটিনেন্স (মলত্যাগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যা) চিকিত্সায় সহায়ক। এটি অনুসরণ করলে আপনার যৌন শক্তি বাড়বে, এবং দৈনন্দিন জীবন আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, নিয়মিত কেগেল অনুশীলন প্রস্টেটের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ এটি রক্তসঞ্চালন উন্নত করে এবং পেলভিক অঞ্চলের পেশীগুলোকে সক্রিয় রাখে। উদাহরণস্বরূপ, প্রস্টেট ক্যান্সার সার্জারির পর পুরুষদের মধ্যে স্ট্রেস ইনকনটিনেন্সের সমস্যা দেখা দেয়, কিন্তু কেগেল ব্যায়াম এটিকে কমাতে সাহায্য করে। এখানে স্পষ্ট, এটি বয়স বাড়ার সাথে দুর্বল হয়ে যাওয়া পেলভিক পেশীগুলোকে পুনরুদ্ধার করে। এটির নিয়ম শিখে নিন, এবং দেখুন কীভাবে আপনার জীবনের প্রতিটি দিক উন্নত হয়। এই ব্লগে আমরা পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা এবং পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব, যাতে আপনি সহজেই এটি আপনার রুটিনে যোগ করতে পারেন এবং দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা উপভোগ করেন।

কাদের জন্য কেগেল ব্যায়াম জরুরি পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম

কাদের জন্য কেগেল ব্যায়াম জরুরি? পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম

পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা বিশেষ করে সেই পুরুষদের জন্য অপরিসীম যারা মূত্রাশয় নিয়ন্ত্রণের সমস্যায় ভুগছেন বা প্রস্টেট সার্জারির পর ইনকনটিনেন্সের সম্মুখীন হচ্ছেন। এই ব্যায়ামটি পেলভিক ফ্লোরের পেশীগুলিকে শক্তিশালী করে, যা মূত্রাশয়কে ভালোভাবে ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং ওভারঅ্যাকটিভ ব্লাডারের লক্ষণগুলো কমায়। কল্পনা করুন, আপনার শরীরের এই অংশটি যেন একটি দুর্গের দরজা, যা দুর্বল হলে সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু কেগেল ব্যায়াম এটিকে অটল করে তোলে। পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম অনুসরণ করলে প্রস্টেট গ্রন্থির স্বাস্থ্যও উন্নত হয়, এবং যৌন জীবনে নতুন মাত্রা যোগ হয়, যেমন ইরেকটাইল ফাংশনের উন্নতি। যারা দীর্ঘক্ষণ কাজ করেন, বয়স বাড়ার সাথে সাথে পেশী দুর্বল হয়ে যায়, অতিরিক্ত ওজনের কারণে পেলভিক চাপ পড়ে বা ডায়াবেটিসের মতো রোগে ভুগছেন, তাদের জন্য এটি জরুরি। এটি শুধু শারীরিক নয়, মানসিক সুস্থতাও বাড়ায়, কারণ এটি আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনে এবং দৈনন্দিন অস্বস্তি কমায়। উদাহরণস্বরূপ, প্রস্টেট সার্জারির পর অনেক পুরুষ ইউরিনারি ইনকনটিনেন্সে ভোগেন, কিন্তু নিয়মিত কেগেল অনুশীলন এটিকে ৮০% পর্যন্ত কমাতে পারে। পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম শিখে নিন, এবং দেখুন কীভাবে আপনার জীবন পরিবর্তন হয়, বিশেষ করে প্রস্টেট স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যেখানে এটি রক্তপ্রবাহ উন্নত করে এবং প্রদাহ কমায়। যদি আপনি কনস্টিপেশন বা ক্রনিক কাফিংয়ের সমস্যায় থাকেন, তাহলে পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা এখানে আরও বেড়ে যায়, কারণ এটি পেলভিক সাপোর্ট বাড়ায়। পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম অনুসরণ করে এই সকল সমস্যা থেকে মুক্তি পান। 

কেগেল ব্যায়াম করার পদ্ধতি ধাপে ধাপে বিস্তারিত গাইড

কেগেল ব্যায়াম করার পদ্ধতি ধাপে ধাপে বিস্তারিত গাইড

পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম খুবই সহজ এবং সুবিধাজনক, কোনো জিম বা যন্ত্রপাতির প্রয়োজন নেই, এবং এটি যেকোনো সময় যেকোনো অবস্থানে করা যায়। প্রথমে একটি শান্ত স্থানে সোজা হয়ে শুয়ে পড়ুন, যেন আপনার শরীর সম্পূর্ণ বিশ্রামে। পেশী চিহ্নিত করুন যা প্রস্রাবের প্রবাহ বন্ধ করার সময় সংকুচিত হয়। এখন স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিন, এবং কেগেল পেশীগুলিকে ৩-৫ সেকেন্ড ধরে সংকুচিত করুন। তারপর ধীরে ধীরে ছেড়ে দিন, এবং ৩-৫ সেকেন্ড বিশ্রাম নিন। এই প্রক্রিয়া পুনরাবৃত্তি করুন ১০ বার। মনে রাখবেন, কোমর, পেট বা উরুর পেশী টেনে ধরবেন না। শুধু পেলভিক অংশটি ফোকাস করুন। পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম অনুসরণ করে দিনে ৩ সেট করলে এটির উপকারিতা দ্রুত অনুভূত হবে। এটি যেন একটি সূক্ষ্ম নৃত্য, যা আপনার শরীরের অভ্যন্তরে সৌন্দর্য যোগ করে। অগ্রগতির জন্য, ধীরে ধীরে সময় বাড়ান ৫ সেকেন্ড থেকে ১০ সেকেন্ড পর্যন্ত এবং অবস্থান পরিবর্তন করুন: শুয়ে, বসে বা দাঁড়িয়ে। প্রথম সপ্তাহে শুয়ে শুরু করুন, যাতে পেশী সঠিকভাবে শিখে নেয়। 

ব্যায়ামের প্রাথমিক ধাপ (পেশী চিহ্নিতকরণ)

প্রস্রাবের সময় থামুন, এটি আপনার পেশীকে জাগ্রত করবে। এছাড়া, গ্যাস পাস করা থামানোর চেষ্টা করুন বা আঙ্গুল দিয়ে অ্যানাসে চাপ দিন এবং সংকুচিত করুন। যদি টাইটনেস অনুভব করেন, তাহলে সঠিক পেশী। এই ধাপটি প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যায়ামটি কিভাবে করবেন: ধাপসমূহ

  • ধাপ ১: সংকুচিত করুন ৩-৫ সেকেন্ড। শ্বাস স্বাভাবিক রাখুন।
  • ধাপ ২: শিথিল করুন ৩-৫ সেকেন্ড।
  • ধাপ ৩: ১০ বার রিপিট করুন। 
  • ধাপ ৪: দিনে ৩ সেট করুন, এবং অগ্রগতির সাথে সময় বাড়ান। এই নিয়মিততায় লুকিয়ে আছে।

ব্যায়ামের উপকারিতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি

এটি যৌন সক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক শান্তি দেয়। বিশেষ করে বয়স্ক পুরুষদের জন্য যারা পেলভিক দুর্বলতার কারণে সমস্যায় পড়েন। এটি অনুসরণ করে অভ্যাসকে দৈনন্দিন করুন, যেমন দাঁত ব্রাশ করার সময় বা খাবার তৈরির সময়। একইভাবে এই নিয়মকে প্রয়োগ করুন।

পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা (মূত্রনিয়ন্ত্রণ এবং প্রস্টেট স্বাস্থ্য)

পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা (মূত্রনিয়ন্ত্রণ এবং প্রস্টেট স্বাস্থ্য)

পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা শুধু মূত্রনিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধ নয়; এটি যৌন স্বাস্থ্যের একটি মূল চাবিকাঠি এবং প্রস্টেটের স্বাস্থ্য রক্ষায় অপরিহার্য। দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যায় ভুগছেন? পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা এখানে চমক প্রকাশ করে। পেশী শক্তিশালী হলে নিয়ন্ত্রণ বাড়ে, এবং যৌন তৃপ্তি দ্বিগুণ হয়। এছাড়া, প্রস্টেটের স্বাস্থ্য রক্ষায় এটি অসাধারণ, কারণ নিয়মিত অনুশীলন রক্তসঞ্চালন উন্নত করে এবং প্রস্টেট সার্জারির পর ইনকনটিনেন্স কমায়। পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম মেনে চললে মলত্যাগ নিয়ন্ত্রণও সহজ হয়, এবং সামগ্রিক শারীরিক ভারসাম্য ফিরে আসে, যেমন ওভারঅ্যাকটিভ ব্লাডারের লক্ষণগুলো হ্রাস পায়। কল্পনা করুন, আপনার জীবন যেন একটি নদী, যার প্রবাহ নিয়ন্ত্রিত এবং মসৃণ। পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম শিখে এই উপকারগুলো লাভ করুন, এবং দেখুন কীভাবে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ে, বিশেষ করে প্রস্টেট স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যেখানে এটি প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ১২ সপ্তাহের অনুশীলনের পর এই উপকারগুলো স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়। যেমন ইউরিনারি ইনকনটিনেন্স, ইউর্জ ইনকনটিনেন্স বা প্রস্রাবের পর ড্রিবলিং কমানো। প্রস্টেট ক্যান্সার সার্জারির পর এই সমস্যা সাধারণ, কিন্তু কেগেল এটিকে কমিয়ে দেয়। 

মূত্রনিয়ন্ত্রণের উন্নতি

কেগেল ব্যায়াম মূত্রাশয়কে সাপোর্ট করে, যা ব্লাডার কন্ট্রোল উন্নত করে। এটি স্ট্রেস ইনকনটিনেন্স কমায়, যেমন কাশির সময় প্রস্রাব পড়া। এটি নিয়মিত অনুশীলনে এই সমস্যা ৫০-৭০% কমাতে পারে।

প্রস্টেট স্বাস্থ্য রক্ষা

প্রস্টেট সার্জারির পর কেগেল ব্যায়ামের উপকারিতা অসাধারণ। এটি রিকভারি ত্বরান্বিত করে এবং ক্রনিক প্রস্টাটাইটিসের লক্ষণ কমায়।

যৌন স্বাস্থ্যে পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা (ইরেকটাইল ডিসফাংশন এবং দ্রুত বীর্যপাত)

যৌন স্বাস্থ্যে পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা (ইরেকটাইল ডিসফাংশন এবং দ্রুত বীর্যপাত)

কেগেল ব্যায়ামের করার নিয়ম অনুসরণ করলে যৌন জীবন নতুন রূপ নেয়। কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা যেমন বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণ, তেমনি ইরেকটাইল ডিসফাংশনের চিকিৎসায় প্রথম লাইনের থেরাপি হিসেবে কাজ করে। এটি লিঙ্গের চারপাশের পেশী শক্ত করে, যা তৃপ্তি বাড়ায় এবং অর্গাজমের তীব্রতা বৃদ্ধি করে। কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম শিখে এই সুন্দর পরিবর্তন ঘটান, বিশেষ করে যারা দ্রুত বীর্যপাতে ভুগছেন। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ১২ সপ্তাহের অনুশীলনের পর উন্নতি হয়। এছাড়া, এটি প্রিম্যাচিউর ইজ্যাকুলেশন প্রতিরোধ করে এবং যৌন স্থায়িত্ব বাড়ায়। এটি করার উপকারিতা ইরেকটাইলে স্পষ্ট, পেলভিক পেশী শক্ত হলে ইরেকশন মেইনটেইন করা সহজ হয়। কেগেল ব্যায়াম করার নিয়মে কুইক ফ্লিকস যোগ করুন, যা ইজ্যাকুলেশন কন্ট্রোল উন্নত করে। 

ইরেকটাইল ডিসফাংশনের চিকিৎসা

ED এ প্রথম চিকিত্সা হিসেবে কাজ করে, কারণ এটি পেলভিক মাসল সাপোর্ট করে। কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম অনুসরণ করে ১ মাসে ফলাফল পাওয়া সম্ভব।

দ্রুত বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণ

দ্রুত বীর্যপাতে কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা অনেক। পেশী কন্ট্রাকশন নিয়ন্ত্রণ বাড়ায়। কেগেল ব্যায়াম নিয়মিত ৮-১০ রিপিট দিনে ৩ সেট করুন।

পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম (প্র্যাকটিক্যাল টিপস, ভ্যারিয়েশন এবং অগ্রগতি)

পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম (প্র্যাকটিক্যাল টিপস, ভ্যারিয়েশন এবং অগ্রগতি)

এটি শুরু করার আগে মূত্রথলি খালি করুন, যাতে অস্বস্তি না হয়। 

  • প্রথম ধাপ: প্রস্রাবের মাঝে থামার চেষ্টা করে পেশী চিহ্নিত করুন। 
  • দ্বিতীয় ধাপ: ৩-৫ সেকেন্ড সংকুচিত করে ধরুন, তারপর শিথিল করুন। 
  • তৃতীয় ধাপ: এটি দিনে ১০-১৫ বার পুনরাবৃত্তি করুন, বসে, শুয়ে বা দাঁড়িয়ে। 

কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা লাভের জন্য ধৈর্য ধরুন। প্রথম সপ্তাহেই পরিবর্তন অনুভব করবেন। 

টিপস: সকালে চা খাওয়ার সময় বা অফিসের ডেস্কে বসে করুন। পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম এতটাই নমনীয় যে এটি আপনার দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে যাবে, যেন একটি সুন্দর অভ্যাস যা আপনার শরীরকে পোষণ করে। অগ্রগতির জন্য, চতুর্থ সপ্তাহ থেকে হোল্ড টাইম ১০ সেকেন্ড করুন এবং কুইক ফ্লিকস যোগ করুন, দ্রুত সংকোচন এবং শিথিলতা। যদি কোনো অস্বস্তি হয়, ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 

ভ্যারিয়েশনসমূহ

  • ব্যাক-লাইং স্কুইজ: শুয়ে পড়ুন, হাঁটু বাঁকা, পেনিস ইনওয়ার্ড টানুন ৫ সেকেন্ড, তারপর অ্যানাস স্কুইজ। ৮-১০ রিপিট, ৩-৫ সেট। 
  • সাইড-লাইং স্কুইজ: পাশে শুয়ে, কুড়ে মাঝে পিলো, লেগস স্কুইজ ৫ সেকেন্ড। 
  • চেয়ার সিটিং স্কুইজ: চেয়ারে বসে, পেনিস স্কুইজ ৫ সেকেন্ড।

অগ্রগতির স্তরসমূহ

  • স্তর ১: ৩ সেকেন্ড হোল্ড, ১০ রিপিট।
  • স্তর ২: ৫ সেকেন্ড হোল্ড, ১৫ রিপিট। 
  • স্তর ৩: ১০ সেকেন্ড হোল্ড, দৈনিক ৪ সেট। 

কেগেল ব্যায়ামের সাধারণ ভুল এবং কীভাবে এড়াবেন

কেগেল ব্যায়ামের সাধারণ ভুল এবং কীভাবে এড়াবেন?

কেগেল ব্যায়াম করার নিয়মে সাধারণ ভুল হলো অন্য পেশী (পেট, উরু) টেনে ধরা বা শ্বাস আটকে রাখা। 

  • এড়াতে: শুধু পেলভিক ফোকাস করুন, স্বাভাবিক শ্বাস নিন। 
  • আরেকটি ভুল: প্রস্রাবের সময় নিয়মিত করা, যা ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ায়। 

কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা লাভের জন্য সঠিক টেকনিক জরুরি। যদি সমস্যা হয়, ফিজিওথেরাপিস্টের সাহায্য নিন। কেগেল ব্যায়াম করার নিয়মে বায়োফিডব্যাক বা ইলেকট্রিক্যাল স্টিমুলেশন যোগ করতে পারেন।

কেগেল ব্যায়ামের বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এবং গবেষণা

কেগেল ব্যায়ামের বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এবং গবেষণা

কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। ইউরোলজি জার্নালে প্রকাশিত রিভিউতে দেখা গেছে যে, প্রস্টেট সার্জারির পর কেগেল স্ট্রেস ইনকনটিনেন্স কমায়। সেক্সুয়াল মেডিসিন রিভিউতে বলা হয়েছে যে, ক্রনিক প্রস্টাটাইটিসে এটি ইরেকটাইল ফাংশন এবং ইজ্যাকুলেশন কন্ট্রোল উন্নত করে। ১২ সপ্তাহের স্টাডিতে ৮০% পুরুষ উন্নতি দেখেছেন। কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম অনুসরণ করে এই ফলাফল লাভ করুন। 

সম্পর্কের জীবনে পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা

সম্পর্কের জীবনে পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা

সম্পর্কের জীবনে কেগেল ব্যায়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। এটি আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং ঘনিষ্ঠতা উন্নত করে। কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম মেনে চললে সঙ্গী সন্তুষ্ট হবে, এবং সম্পর্ক আরও মধুর হবে। কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা এখানে একটি সেতু তৈরি করে দুজনের মধ্যে, কারণ এটি যৌন সন্তুষ্টি বাড়ায় এবং মানসিক বন্ধন মজবুত করে। উদাহরণস্বরূপ, ভালো কন্ট্রোল সঙ্গীর সাথে আরও গভীর সংযোগ তৈরি করে। কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম শিখে সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করুন।

আজই শুরু করুন কেগেল ব্যায়াম

আজই শুরু করুন কেগেল ব্যায়াম

এই ব্লগ থেকে পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা এবং পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম শিখে আজই শুরু করুন। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এটি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য অভ্যাসে পরিণত হবে, যা আপনার জীবনকে আরও সুস্থ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলবে। যদি কোনো সমস্যা বা অসুবিধা অনুভব করেন, অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এই পথে সহায়তার জন্য পেইন কিউর (Pain Cure) একটি আধুনিক ও বিশ্বস্ত পেইন ম্যানেজমেন্ট সেন্টার, যেখানে নানা ধরনের শারীরিক ব্যথা ও সমস্যার জন্য উন্নত ও এডভান্স চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এখানে ওজোন থেরাপি, ওজোন সওনা, ইলেক্ট্রো আকুপাংচার, আর-টি-এম-এস থেরাপি, ম্যানুয়াল ফিজিওথেরাপি, টেকার থেরাপি, ক্রায়ো থেরাপি, শকওয়েভ থেরাপি এবং পালস ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড থেরাপি (PEMF) সহ বিভিন্ন আধুনিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া ঘরোয়া ব্যায়াম, ব্যথা প্রতিরোধে পরামর্শ এবং চিকিৎসকদের মূল্যবান মতামতও দেওয়া হয়। পেইন কিউরের লক্ষ্য হলো সবার কাছে ব্যথামুক্ত, সুস্থ ও সচেতন জীবনযাপনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া, যাতে আপনি আপনার কেগেল ব্যায়ামের মাধ্যমে আরও কার্যকর ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতে পারেন।

 

অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে সকাল ৯:০০ টা থেকে রাত ৯:০০ টা-এর মধ্যে উত্তরা বা বনানী শাখার জন্য +৮৮০১৭৭৪৬৭৮৬০৪ নম্বরে কল করুন।

আমাদের ফেইসবুক পেইজঃ পেইন কিউর

 

বিস্তারিত জানুন: ইরেকটাইল ডিসফাংশন এর ব্যায়াম ও ইরেকটাইল ডিসফাংশন খাবার কি?

বিস্তারিত জানুন: বাঁকা লিঙ্গ সোজা করার উপায়, নিয়ম, পদ্ধতি,চিকিৎসা ও করণীয় কি?

বিস্তারিত জানুন: ইরেকটাইল ডিসফাংশন থেকে মুক্তির উপায় এবং এটির লক্ষণ কি কি?

বিস্তারিত জানুন: বাংলাদেশে ডায়াবেটিস রোগীর ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের চিকিৎসা কি?

 

সাধারণ জিজ্ঞাসা

হ্যাঁ, পুরুষরা কেগেল ব্যায়াম বেশি করতে পারেন, কারণ এটি পেলভিক মাসল শক্ত করে এবং স্ট্যামিনা বাড়ায়। নিয়মিত অনুশীলনের ফলে দিনে ৫-৬ সেট পর্যন্ত বাড়ানো যায়, প্রতি সেটে ১৫-২০ রিপিটিশন করে। তবে শরীরের সীমা মেনে চলুন এবং অস্বস্তি হলে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।

কেগেল ব্যায়াম যেকোনো সময় করা যায়, তবে সকালে উঠে বা রাতে ঘুমানোর আগে করলে মানসিক শান্তি পাওয়া সহজ হয় এবং ফলাফল ভালো আসে। দৈনন্দিন কাজের ফাঁকে, যেমন গাড়িতে বসে বা টিভি দেখার সময়ও এটি অনুশীলন করুন। নিয়মিততা জরুরি, তাই প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট করে ৩-৪ সেট করুন, কিন্তু অতিরিক্ত চাপ দেবেন না।

পুরুষাঙ্গের স্বাস্থ্যের জন্য কেগেল এক্সারসাইজ সবচেয়ে উপযোগী, যা পেলভিক ফ্লোর মাসল শক্ত করে এবং ইরেকটাইল ফাংশন উন্নত করে। এটি করতে, প্রস্রাব আটকানোর মতো পেলভিক মাসল সংকুচিত করে ৫-১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন, তারপর ছেড়ে দিন, দিনে ৩-৪ সেট করুন। নিয়মিত অনুশীলন করে ফলাফল পাবেন, তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

একজন সাধারণ ছেলে কেগেল এক্সারসাইজ ধরে রাখতে প্রথমে ৫-১০ সেকেন্ড সময় নিতে পারে, যা শুরুর ধাপে স্বাভাবিক। নিয়মিত অনুশীলনের ফলে এটি ১০-২০ সেকেন্ড পর্যন্ত বাড়ানো যায়। শুরুতে ধীরে ধীরে শুরু করুন এবং শ্বাস আটকে না রেখে করুন।

সাধারণত ৪-৬ সপ্তাহের মধ্যে, কিন্তু নিয়মিততা জরুরি। পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম নিয়মিত করুন।

না, যদি সঠিকভাবে করা হয়। পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা শুধুমাত্র ইতিবাচক।

খুবই কার্যকর, বিশেষ করে সার্জারির পর। পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা এখানে স্পষ্ট।

হ্যাঁ, ED এবং PE এ উন্নতি করে। পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম অনুসরণ করুন। পুরুষের কেগেল ব্যায়াম করার উপকারিতা এবং পুরুষদের কেগেল ব্যায়াম করার নিয়ম সম্পর্কে আরও জানুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *