ঘাড় ব্যথা কি প্রেসারের লক্ষণ এবং এটির জন্য কোন ডাক্তার দেখাবো?

ঘাড় ব্যথা কি প্রেসারের লক্ষণ এবং এটির জন্য কোন ডাক্তার দেখাবো?

উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই থাকতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের স্পষ্ট কোনো উপসর্গ দেখা যায় না, তাই অনেকেই বুঝতে পারেন না যে তাদের প্রেসার বাড়ছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে মাথাব্যথা, শারীরিক অস্বস্তি, মাথা ঘোরা, এমনকি ঘাড় ব্যথাও অনুভূত হতে পারে। তাই অনেকে জানতে চান, ঘাড় ব্যথা কি প্রেসারের লক্ষণ? যদিও ঘাড় ব্যথা কখনো কখনো উচ্চ রক্তচাপের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, তবে শুধুমাত্র ঘাড় ব্যথাকে প্রেসারের নিশ্চিত লক্ষণ হিসেবে ধরা ঠিক নয়।

ঘাড় ব্যথা কি প্রেসারের লক্ষণ?

ঘাড় ব্যথা কি প্রেসারের লক্ষণ?

ঘাড় ব্যথা কি প্রেসারের লক্ষণ? এই প্রশ্নটি অনেকের মনেই আসে, কারণ উচ্চ রক্তচাপের বিষয়টি এখন একটি সাধারণ স্বাস্থ্য উদ্বেগ। উত্তরটি হলো, ঘাড় ব্যথা উচ্চ রক্তচাপের একটি নিশ্চিত লক্ষণ নয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি উচ্চ রক্তচাপের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, বিশেষ করে যখন রক্তচাপ অত্যন্ত বেশি থাকে।

সাধারণত, উচ্চ রক্তচাপকে “নীরব ঘাতক” বলা হয় কারণ বেশিরভাগ সময় এর কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষণ প্রকাশ পায় না। বহু মানুষ বছরের পর বছর ধরে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন কিন্তু তা টেরই পান না, যতক্ষণ না নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে রক্তচাপ মাপা হয়। তবে কিছু ব্যক্তির ক্ষেত্রে যখন রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যায়, তখন কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এই উপসর্গগুলোর মধ্যে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং হ্যাঁ, ঘাড় ব্যথাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

কখন ঘাড় ব্যথা উচ্চ রক্তচাপের ইঙ্গিত দিতে পারে?

যদি ঘাড় ব্যথা হঠাৎ করে তীব্র হয় এবং এর সাথে আরও কিছু গুরুতর লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে এটি উচ্চ রক্তচাপের একটি জরুরি অবস্থার ইঙ্গিত হতে পারে। এই অবস্থাকে হাইপারটেনসিভ ক্রাইসিস (Hypertensive Crisis) বলা হয়, যেখানে রক্তচাপ খুব দ্রুত এবং বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে ঘাড় ব্যথার পাশাপাশি নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারেঃ

  • তীব্র মাথাব্যথা, বিশেষ করে মাথার পেছনের দিকে।
  • দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন বা ঝাপসা দেখা।
  • বুকে ব্যথা।
  • শ্বাসকষ্ট।
  • নাক দিয়ে রক্ত পড়া।
  • অতিরিক্ত ক্লান্তি বা বিভ্রান্তি।
  • হঠাৎ অসাড়তা বা শরীরের একপাশে দুর্বলতা।

যদি এই ধরনের উপসর্গগুলো ঘাড় ব্যথার সাথে অনুভব করেন, তবে দেরি না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এটি একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি হতে পারে এবং তাৎক্ষণিক চিকিৎসার প্রয়োজন।

ঘাড় ব্যথার অন্যান্য সম্ভাব্য কারণ

ঘাড় ব্যথার অন্যান্য সম্ভাব্য কারণ

ঘাড় ব্যথা কি প্রেসারের লক্ষণ? এই প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি এটিও মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, ঘাড় ব্যথার বহু সাধারণ কারণ রয়েছে যা উচ্চ রক্তচাপের সাথে সম্পর্কিত নয়। এই কারণগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ

  • পেশির টান বা স্ট্রেন: দীর্ঘক্ষণ ভুল ভঙ্গিতে বসে থাকা, কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন ব্যবহার করা, বা হঠাৎ করে ঘাড়ে চাপ লাগার কারণে ঘাড়ের পেশিতে টান পড়তে পারে। ঘুমের সময় ভুল অবস্থানে শোয়াও এর একটি সাধারণ কারণ।
  • স্পন্ডাইলোসিস বা ডিজেনারেটিভ ডিস্ক ডিজিজ: বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঘাড়ের কশেরুকা (vertebrae) এবং ডিস্কগুলোতে স্বাভাবিক ক্ষয় হয়, যা ব্যথা এবং শক্ত হওয়ার কারণ হতে পারে।
  • স্নায়ুর সংকোচন (Nerve Compression): ঘাড়ের কশেরুকা থেকে বের হওয়া স্নায়ুগুলোতে চাপ পড়লে ঘাড় থেকে হাত পর্যন্ত ব্যথা, অসাড়তা বা ঝিনঝিন অনুভূতি হতে পারে।
  • আঘাত: খেলাধুলা বা কোনো দুর্ঘটনার কারণে ঘাড়ে আঘাত লাগলে ব্যথা হতে পারে।
  • মানসিক চাপ ও উদ্বেগ: মানসিক চাপ বা উদ্বেগের কারণে ঘাড় ও কাঁধের পেশিগুলো শক্ত হয়ে যায়, যা ব্যথার কারণ হতে পারে।
  • খারাপ অঙ্গবিন্যাস (Poor Posture): দীর্ঘক্ষণ বাঁকা হয়ে বসা বা দাঁড়ানো ঘাড়ের উপর চাপ সৃষ্টি করে ব্যথা ঘটাতে পারে।

প্রেসার বেড়ে গেলে কিভাবে বুঝব?

প্রেসার বেড়ে গেলে কিভাবে বুঝব?

এনামুল করিম জানিয়েছেন, প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে কয়েক দিনের ব্যবধানে একাধিকবার রক্তচাপ মাপা উচিত। যদি কারও সিস্টোলিক (ওপরের) রক্তচাপ ১৪০ বা তার বেশি এবং ডায়াস্টোলিক (নিচের) রক্তচাপ ৯০ বা তার বেশি পাওয়া যায়, তাহলে তাকে উচ্চ রক্তচাপ হিসেবে ধরা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রেসার বেড়ে গেলে তেমন কোনো সুস্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায় না, তাই নিয়মিত রক্তচাপ মাপার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

উচ্চ রক্তচাপ এক ধরণের নীরব ঘাতক রোগ

প্রেসার বেড়ে গেলে কিভাবে বুঝব? এ প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে, সাধারণত উচ্চ রক্তচাপের নির্দিষ্ট কোনো উপসর্গ থাকে না। অনেকেই জানতেই পারেন না যে তাদের প্রেসার বেড়ে গেছে। এই কারণেই উচ্চ রক্তচাপকে প্রায়শই ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়। এটি ধীরে ধীরে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি করে, যেমন – হৃদপিণ্ড, কিডনি, মস্তিষ্ক এবং চোখ। যখন লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়, তখন প্রায়শই পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে ওঠে। প্রেসার বেড়ে গেলে কিভাবে বুঝব, তার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হচ্ছে নিয়মিত রক্তচাপ মাপা। বিশেষ করে ৪০ বছর বয়সের পর থেকে সকলেরই বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ পরীক্ষা করানো উচিত। যদি পরিবারে উচ্চ রক্তচাপের ইতিহাস থাকে, তবে আরও আগে থেকে এবং আরও ঘন ঘন পরীক্ষা করা জরুরি।

কখন সতর্ক হবেন?

কেউ যদি অনুভব করেন মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, চোখে ঝাপসা দেখা, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ক্লান্তি কিংবা অনিদ্রা। তবে সতর্ক হওয়া উচিত এবং দ্রুত রক্তচাপ পরীক্ষা করা দরকার। এই লক্ষণগুলো যদিও উচ্চ রক্তচাপের সুনির্দিষ্ট ইঙ্গিত নাও হতে পারে, তবে এগুলি শরীরের কোনো সমস্যার লক্ষণ হতে পারে, যার মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ অন্যতম। বিশেষ করে যদি এই লক্ষণগুলো হঠাৎ করে বা একসাথে দেখা দেয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য।

জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ

প্রেসার বেড়ে গেলে কিভাবে বুঝব, তা জানতে হলে নিজের শরীরের ছোটখাটো পরিবর্তন এবং পারিবারিক ইতিহাসের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। এছাড়া, কিছু জীবনযাত্রার অভ্যাস উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়। এর মধ্যে রয়েছেঃ

  • অতিরিক্ত ওজন: স্থূলতা উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম প্রধান কারণ। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক।
  • লবণ বেশি খাওয়া: খাবারে অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং ফাস্ট ফুডে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে, যা এড়িয়ে চলা উচিত।
  • শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা: নিয়মিত ব্যায়ামের অভাব রক্তচাপ বাড়াতে পারে। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • অতিরিক্ত মদ্যপান: অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।
  • ধূমপান: ধূমপান রক্তনালীর ক্ষতি করে এবং রক্তচাপ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
  • মানসিক চাপ: দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপও রক্তচাপ বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য যোগা, মেডিটেশন বা অন্যান্য রিল্যাক্সেশন কৌশল অনুশীলন করা যেতে পারে।

প্রেসার বেড়ে ঘাড় ব্যথা হলে তাৎক্ষণিক যা করবেন?

প্রেসার বেড়ে ঘাড় ব্যথা হলে তাৎক্ষণিক যা করবেন?

যদি আপনার প্রেসার বেড়ে ঘাড় ব্যথা হলে তাৎক্ষণিক যা করবেন, তা হলো নিজেকে শান্ত রাখা এবং যেকোনো ধরনের শারীরিক চাপ এড়িয়ে চলা। প্রায়শই রক্তচাপ বেড়ে গেলে ঘাড়ে টান বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে, যা খুবই অস্বস্তিকর। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত বিশ্রাম নিন, মাথা ও ঘাড়কে সমান অবস্থায় রাখুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ঠাণ্ডা বা গরম সেঁক দিন। প্রেসার বেড়ে গেলে কি করণীয়? তাৎক্ষণিকভাবে রক্তচাপ মাপুন এবং যদি তা বেশি হয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পানিশূন্যতা এড়াতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন এবং অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার পরিহার করুন।

ঘাড় ব্যথার কারণ ও তাৎক্ষণিক প্রতিকার

প্রেসার বেড়ে ঘাড় ব্যথা হলে তাৎক্ষণিক যা করবেন, সে প্রসঙ্গে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা প্রয়োজন। উচ্চ রক্তচাপের কারণে ঘাড়ে ব্যথা হওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে। রক্তচাপ বেড়ে গেলে রক্তনালীগুলোতে চাপ বৃদ্ধি পায়, যা অনেক সময় মস্তিষ্কে রক্ত ​​সরবরাহের তারতম্য ঘটাতে পারে। এর ফলে ঘাড়ের পেশীগুলোতে টান বা ব্যথা অনুভব হতে পারে। তাছাড়া, উচ্চ রক্তচাপের সময় শরীর স্ট্রেসের মধ্যে থাকে, যা পেশীগুলোকে আরও সংকুচিত করে তুলতে পারে, বিশেষ করে ঘাড় ও কাঁধের অংশে।

এই পরিস্থিতিতে প্রেসার বেড়ে ঘাড় ব্যথা হলে তাৎক্ষণিক যা করবেন, তার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া। ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস নিন এবং শরীরকে শিথিল করার চেষ্টা করুন। শ্বাস-প্রশ্বাসের এই প্রক্রিয়া রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে এবং ঘাড়ের পেশীগুলোতে চাপ কমাতে পারে। প্রয়োজনে আরামদায়ক অবস্থানে শুয়ে পড়ুন এবং চোখ বন্ধ করে মনকে শান্ত করার চেষ্টা করুন। অনেকেই এ সময় হালকা ম্যাসাজ থেকে উপকার পান, তবে মনে রাখবেন ম্যাসাজ যেন খুবই আলতো হয়।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করণীয়

প্রেসার বেড়ে গেলে কি করণীয়? এই সময়ে সবচেয়ে জরুরি হলো আতঙ্কিত না হওয়া। অতিরিক্ত উত্তেজনা বা দুশ্চিন্তা করলে রক্তচাপ আরও বেড়ে যেতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। শান্ত থাকার চেষ্টা করুন এবং আপনার রক্তচাপের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করুন। যদি আপনার বাড়িতে রক্তচাপ মাপার যন্ত্র থাকে, তাহলে নিয়মিত বিরতিতে রক্তচাপ মেপে এর পরিবর্তনগুলো লক্ষ্য করুন। এই তথ্যগুলো চিকিৎসকের জন্য সহায়ক হবে।

এছাড়াও, প্রেসার বেড়ে গেলে কি করণীয় তার মধ্যে অন্যতম হলো খাদ্যভ্যাস পরিবর্তন। উচ্চ রক্তচাপের সময় অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার পুরোপুরি এড়িয়ে চলা উচিত। লবণ রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করে। পরিবর্তে, ফল, সবজি এবং পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। তবে, কোনো ডায়েট পরিবর্তনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ঘাড় ব্যথার জন্য কোন ডাক্তার দেখানো উচিত?

ঘাড় ব্যথার জন্য কোন ডাক্তার দেখানো উচিত?

ঘাড় ব্যথা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খুব সাধারণ একটি সমস্যা। অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে কাজ করা, ভুল ভঙ্গিমায় ঘুমানো, বা হঠাৎ আঘাতের কারণে ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। ঘাড় ব্যথা যদি কয়েকদিনের মধ্যে ভালো না হয়, ব্যথার সাথে হাত-পা অবশ হয়ে যায়, বা মাথা ঘোরার মতো সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে অর্থোপেডিক্স ডাক্তার বা ঘাড় ব্যথার জন্য কোন ডাক্তার দেখানো উচিত আমারা জানি না। বিশেষ করে, যারা ঢাকায় থাকেন, তাদের জন্য ঘাড় ব্যথার ডাক্তার ঢাকায় খুঁজে নেওয়া অনেক সহজ। এছাড়াও, ঘাড় ব্যথার জন্য কোন ডাক্তার দেখাবো এই প্রশ্নের উত্তর হলো, একজন অভিজ্ঞ অর্থোপেডিক্স বা নিউরোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া। অনেক সময় ঘাড় ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হলে বা ব্যথার তীব্রতা বেড়ে গেলে, ঘাড় ব্যথার জন্য কোন ডাক্তার দেখানো উচিত তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় পড়েন। এ ক্ষেত্রে অর্থোপেডিক্স ডাক্তার ছাড়াও, নিউরোসার্জন বা ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

পেইন কিউর (Pain Cure) একটি আধুনিক ও বিশ্বস্ত পেইন ম্যানেজমেন্ট সেন্টার, যেখানে নানা ধরনের শারীরিক ব্যথার জন্য উন্নত ও প্রাকৃতিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। তাদের চ্যানেলে আপনি ব্যথা ব্যবস্থাপনা ও ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত নানা তথ্যভিত্তিক ভিডিও পাবেন। এখানে ওজোন থেরাপি, ইলেক্ট্রো আকুপাংচার, ম্যানুয়াল ফিজিওথেরাপি, টেকার থেরাপি, শকওয়েভ থেরাপি ও পালস ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড থেরাপি (PEMF) নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়াও ঘরোয়া ব্যায়াম, ব্যথা প্রতিরোধে পরামর্শ এবং চিকিৎসকদের মতামতও তুলে ধরা হয়। পেইন কিউরের লক্ষ্য হলো সবার কাছে ব্যথামুক্ত, সুস্থ ও সচেতন জীবনযাপনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া। মনে রাখবেন, ঘাড়ের সমস্যা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত।

যেকোনো পরামর্শ পেতে – উত্তরা- +8801727177436 এবং বনানী- +8801774678604  (সকাল ৯.০০ থেকে রাত ৯.০০ টা) এই নম্বরে কল করুন এবং এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নিন।

আমাদের ফেইসবুক পেইজঃ পেইন কিউর

 

বিস্তারিত জানুন: সেক্সে রসুনের উপকারিতা কি

বিস্তারিত জানুন: ডায়াবেটিস রোগীর ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের চিকিৎসা কি

বিস্তারিত জানুন: ঘাড় ব্যথা কিসের লক্ষণ । ঘাড় ব্যথা থেকে মুক্তির উপায়

বিস্তারিত জানুন: আমাদের অতিরিক্ত ঘাড় ব্যথা হলে করণীয় কি?

 

সাধারণ জিজ্ঞাসা

উদ্বেগ ও মানসিক চাপের কারণে শরীরে নানা ধরনের ব্যথা দেখা দিতে পারে, যার মধ্যে ঘাড়ের ব্যথাও একটি সাধারণ সমস্যা। সাধারণত কর্টিসল বা অ্যাড্রেনালিনের মতো স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যাওয়ায় এই সমস্যা হয়। এই হরমোনগুলো পেশীগুলোকে টানটান করে তোলে, ফলে পেশী ক্লান্ত হয়ে পড়ে, প্রদাহ সৃষ্টি হয় এবং স্নায়ুগুলোর অতিরিক্ত উত্তেজনা দেখা দেয়।

চীনে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে যে পেশীসংক্রান্ত উপসর্গ ও মানসিক চাপের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট সম্পর্ক রয়েছে, বিশেষ করে ঘাড়ের এলাকায়। সৌদি আরবে স্থানীয়ভাবে করা এক জরিপে দেখা যায়, ঘাড়ের ব্যথায় ভোগা রোগীদের মধ্যে ৬৮.৪% উদ্বেগে ভুগছেন এবং ৫৫.৭% বিষণ্ণতায় আক্রান্ত।

এই গবেষণায় দেখা গেছে, এমন রোগীদের ক্ষেত্রেও যাদের রক্তে ভিটামিন ডি-এর মাত্রা ২০ থেকে ৩০ এনজি/এমএল-এর মধ্যে রয়েছে, সেখানে ভিটামিন ডি সম্পূরক গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি ঘাড় ও পিঠের ব্যথা এবং পেশীর টান বা খিঁচুনি ব্যবস্থাপনায় ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি বা অপর্যাপ্ততা দূর করা যে কতটা প্রয়োজনীয়, তা এ থেকেই স্পষ্ট হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *